৮ই এপ্রিল, ২০২৬, বুধবার, সকাল ৮:৩৫
Advertisement

কয়েক দশক ধরে আলী লারিজানি ছিলেন ইরানের ক্ষমতাকাঠামোর শান্ত ও বাস্তববাদী মুখ। তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্টের ওপর বই লিখেছেন এবং পশ্চিমাদের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

Advertisement

তবে ১ মার্চ ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পর্ষদের ৬৭ বছর বয়সী এই সেক্রেটারির কথার ধরন বদলে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হওয়ার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে উপস্থিত হয়ে লারিজানি জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়েছেন।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লারিজানি লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠী (ইসরায়েল) ইরানি জাতির হৃদয়ে আগুনে জ্বালিয়েছে। আমরা তাদের হৃদয় পুড়িয়ে দেব। আমরা জায়নবাদী অপরাধীদের ও নির্লজ্জ আমেরিকানদের তাদের কাজের জন্য অনুশোচনা করতে বাধ্য করব।’

লারিজানি আরও লিখেছেন, ‘ইরানের সাহসী সেনারা ও মহান জাতি কুখ্যাত আন্তর্জাতিক নিপীড়কদের এমন শিক্ষা দেবেন, যা তারা ভুলতে পারবে না।’

লারিজানি অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ইসরায়েলি ফাঁদে’ পড়েছেন। লারিজানি এখন ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর তেহরানের সবচেয়ে বড় সংকট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ভূমিকায় রয়েছেন।

খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য গঠিত তিন সদস্যের অন্তর্বর্তী পর্ষদের পাশাপাশি লারিজানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধে তেহরানের নিরাপত্তা কৌশল নির্ধারণের দায়িত্বে রয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *